1. admin@zakiganjsangbad.com : admin :
শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬, ০৭:৩৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
উপজেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ কাব শিক্ষক নির্বাচিত হলেন জকিগঞ্জের শিউলী রানী রায় জকিগঞ্জে ক্ষোভ ঝাড়লেন সাবেক এমপি,মুখ খুলল স্থানীয় প্রশাসন জকিগঞ্জ পৌরসভার উন্মুক্ত দরপত্র বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ মুসলমান হিসেবে মন্দির নির্মাণে সহায়তা করতে পারি না: ফাহিম আল চৌধুরী ছাত্র জমিয়ত জকিগঞ্জ উপজেলা শাখার কর্মী সম্মেলন সম্পন্ন এমপি আবুল হাসানের আহ্বানে জকিগঞ্জে ছাত্র মজলিসের মাসব্যাপী বৃক্ষরোপণ অভিযান হালাল উপার্জন ও কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে জকিগঞ্জে নতুন ব্যবসায়িক সংগঠন সর্বস্তরের মানুষকে খেলাফত প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে সম্পৃক্ত করতে হবে: এমপি মুফতি আবুল হাসান জকিগঞ্জে আল খায়ের ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে কুরবানির গোশত বিতরণ ঈদকে সামনে রেখে অসহায় মানুষের পাশে কাজী আব্দুল মতিন স্মৃতি ট্রাস্ট

ফলাফলের শীর্ষে বারহাল কলেজ, জিপিএ-৫ বেশী হাফসা কলেজে: জকিগঞ্জে এইচএসসি পরীক্ষায় গড় পাসের হার ৩৯.৪৩ পার্সেন্ট

আবিদা মুমতাহিনা
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৫

জকিগঞ্জে এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফলে আটটি কলেজের মধ্যে গড় পাসের হার দাঁড়িয়েছে মাত্র ৩৯.৪৩%। এর মধ্যে সর্বোচ্চ সাফল্য অর্জন করেছে বারহাল ডিগ্রি কলেজ, যেখানে পাসের হার ৭৮ দশমিক ২৬ শতাংশ। আর সবচেয়ে পিছিয়ে রয়েছে গোলাম মোস্তফা চৌধুরী একাডেমি। যেখানে পাসের হার মাত্র ৫ দশমিক ৭১ শতাংশ।
প্রাপ্ত তথ্যে জানা যায়, হাফছা মজুমদার মহিলা ডিগ্রি কলেজে পাসের হার ৬৭ দশমিক ৮৩ শতাংশ, এবং এই কলেজের ৫ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ অর্জন করেছে। মেয়েদের এই প্রতিষ্ঠানই উপজেলায় দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ফলাফল করেছে। তৃতীয় স্থানে রয়েছে লুৎফর রহমান স্কুল অ্যান্ড কলেজ, পাসের হার ৪৪ দশমিক ৫৯ শতাংশ। চতুর্থ স্থানে ইছামতি ডিগ্রি কলেজ, যেখানে পাসের হার ৪২ দশমিক ৯৩ শতাংশ। এছাড়া, জকিগঞ্জ সরকারি কলেজে পাসের হার ৩৮ শতাংশ, গুরুসদয় স্কুল অ্যান্ড কলেজে ২৪ দশমিক ৬২ শতাংশ, গনিপুর কামালগঞ্জ স্কুল অ্যান্ড কলেজে ১৩ দশমিক ৪৬ শতাংশ, এবং সবচেয়ে নিচে রয়েছে গোলাম মোস্তফা চৌধুরী একাডেমি, যেখানে পাসের হার মাত্র ৫ দশমিক ৭১ শতাংশ।
ফলাফলের এই পরিস্থিতি নিয়ে স্থানীয় মহলে চলছে আলোচনা সমালোচনা। শিক্ষা সংশ্লিষ্টরা বলছেন, কিছু প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক সংকট, অনিয়মিত ক্লাস এবং শিক্ষার্থীদের অধ্যবসায়ের অভাবই নিম্ন ফলাফলের প্রধান কারণ।
হাফছা মজুমদার মহিলা ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ খালেদ আজাদ বলেন, শিক্ষকদের আন্তরিকতা, শিক্ষার্থীদের নিয়মিত পড়াশোনা, অভিভাবক গভর্নিং বডির সহযোগিতার কারণে আমরা ধারাবাহিকভাবে ভালো ফল করে আসছি। আগামী বছর আরও উন্নত ফলাফলের লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছি।
এদিকে ফলাফলে পিছিয়ে পড়া কলেজগুলো নিয়ে অভিভাবক ও সচেতন মহলে দেখা দিয়েছে উদ্বেগ। তারা মনে করছেন, উপজেলার সার্বিক শিক্ষার মান উন্নয়নে এখনই পরিকল্পিত উদ্যোগ, শিক্ষক সংকট নিরসন এবং ক্লাস কার্যক্রমে কঠোর নজরদারি জরুরি।
স্থানীয় শিক্ষাবিদদের মতে, গড় পাসের হার মাত্র ৩৯.৪৩ শতাংশ হওয়া জকিগঞ্জের শিক্ষাব্যবস্থার জন্য একটি সতর্কবার্তা। তারা বলছেন, সময়মতো উদ্যোগ না নিলে আগামী বছর ফলাফল আরও নিম্নমুখী হতে পারে, যা এলাকার সামগ্রিক শিক্ষার মানের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

এই সংবাদটি শেয়ার করুনঃ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
জকিগঞ্জ সংবাদ-এর প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না
প্রতিষ্ঠাতা: রহমত আলী হেলালী কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায় সিসা হোস্ট