সিলেটের জকিগঞ্জ উপজেলার বারহাল ইউনিয়নের নয়াগাঁও মৌজায় সুরমা নদীর বালুমহালে ডিমার্কেশনের বাইরে বালু উত্তোলনের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেছে উপজেলা প্রশাসন। অভিযানে সরেজমিন পরিদর্শন শেষে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছে প্রশাসন।
শুক্রবার (৩১ জুলাই) বিকেল ৩টা থেকে ৪টা ৪৫ মিনিট পর্যন্ত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সুজিত কুমার চন্দের নেতৃত্বে এ মোবাইল কোর্ট পরিচালিত হয়। এ সময় সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বালুমহালের নির্ধারিত ডিমার্কেশন, বালু উত্তোলনের স্থান এবং ব্যবহৃত ড্রেজারগুলো পরিদর্শন করেন।
উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, পরিদর্শনকালে ইজারাদারের বালু উত্তোলনে ব্যবহৃত ড্রেজারগুলো নির্ধারিত ডিমার্কেশন বা সীমানার মধ্যেই অবস্থান করতে দেখা যায়। ডিমার্কেশনের বাইরে গিয়ে বালু উত্তোলনের অভিযোগের পক্ষে কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
প্রশাসনের কর্মকর্তারা জানান, সরকারি নীতিমালা অনুযায়ী নির্ধারিত সীমানার বাইরে বালু উত্তোলন সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। কোনো ইজারাদার শর্ত লঙ্ঘন করলে তার বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সুজিত কুমার চন্দ বলেন, “বালুমহালটিতে আজ মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়েছে। মোবাইল কোর্ট পরিচালনাকালে ড্রেজারগুলো নির্ধারিত ডিমার্কেশনের মধ্যেই পাওয়া গেছে। তবে বালুমহালের কার্যক্রম নিয়মিত তদারকি করা হচ্ছে। ভবিষ্যতে কোনো অনিয়ম ধরা পড়লে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
উপজেলা প্রশাসন আরও জানায়, পরিবেশ সংরক্ষণ, নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ বজায় রাখা এবং সরকারি ইজারার শর্ত প্রতিপালন নিশ্চিত করতে বালুমহালগুলোতে নিয়মিত মোবাইল কোর্ট ও টাস্কফোর্সের অভিযান পরিচালনা ও নজরদারি অব্যাহত থাকবে।
Leave a Reply