সিলেটের জকিগঞ্জ উপজেলায় ২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানভেদে ভিন্ন চিত্র দেখা গেছে। উপজেলার ২৩টি মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রকাশিত ফলাফল বিশ্লেষণে সর্বোচ্চ পাসের হার ৮১ দশমিক ০৮ শতাংশ এবং সর্বনিম্ন ৩৮ দশমিক ৬৪ শতাংশ।
সোমবার (১০ আগস্ট) সকাল ১০টায় সারাদেশের সঙ্গে একযোগে ২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা হয়।
জকিগঞ্জ উপজেলার মধ্যে পাসের হারে শীর্ষে রয়েছে শাহবাগ স্কুল অ্যান্ড কলেজ। প্রতিষ্ঠানটির পাসের হার ৮১ দশমিক ০৮ শতাংশ। এরপর রয়েছে লুৎফুর রহমান স্কুল অ্যান্ড কলেজ, যেখানে পাসের হার ৭৯ দশমিক ৭৬ শতাংশ। শেরুলবাগ উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের পাসের হার ৭৮ দশমিক ৪৩ শতাংশ।
এছাড়া গুরুসদয় স্কুল অ্যান্ড কলেজে ৭৪ দশমিক ০৭ শতাংশ, কাজী আব্দুল খালিক উচ্চ বিদ্যালয়ে ৭৩ দশমিক ৫৮ শতাংশ এবং জকিগঞ্জ সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে ৭০ দশমিক ২০ শতাংশ শিক্ষার্থী পাস করেছে।
সীমান্তিক ইন্টারন্যাশনাল স্কুলে পাসের হার ৬৯ দশমিক ৩৫ শতাংশ, ঈদগাহবাজার উচ্চ বিদ্যালয়ে ৬৫ দশমিক ৫৬ শতাংশ, গোলাম মোস্তফা চৌধুরী একাডেমিতে ৬৫ দশমিক ৪৮ শতাংশ এবং জোবেদ আলী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ৬৩ দশমিক ২৯ শতাংশ।
অন্যদিকে উপজেলার কয়েকটি প্রতিষ্ঠানে পাসের হার ৫০ শতাংশের নিচে রয়েছে। সোনাসার মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে পাসের হার ৪৯ দশমিক ১৮ শতাংশ, সাজ্জাদ মজুমদার বিদ্যানিকেতনে ৪৮ দশমিক ৭৭ শতাংশ, ইমদাদ মজুমদার বিদ্যানিকেতনে ৪৮ দশমিক ৭৩ শতাংশ এবং গনিপুর কামালগঞ্জ স্কুল অ্যান্ড কলেজে ৪৭ দশমিক ৮৭ শতাংশ।
জকিগঞ্জ সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ে পাসের হার ৩৯ দশমিক ০৪ শতাংশ। উপজেলার মধ্যে সর্বনিম্ন পাসের হার ইছামতি উচ্চ বিদ্যালয়ে ৩৮ দশমিক ৬৪ শতাংশ।
জিপিএ-৫ অর্জনের ক্ষেত্রেও প্রতিষ্ঠানগুলোর ফলাফলে ভিন্নতা দেখা গেছে। সাজ্জাদ মজুমদার বিদ্যানিকেতন থেকে সর্বোচ্চ নয়জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছে। জকিগঞ্জ সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে ছয়জন এবং গুরুসদয় স্কুল অ্যান্ড কলেজে পাঁচজন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ অর্জন করেছে।
জানা গেছে, চলতি বছর জকিগঞ্জ উপজেলায় এসএসসি পরীক্ষায় ১ হাজার ৫৪৫ জন, দাখিল পরীক্ষায় ৬৯৫ জন এবং এসএসসি ভোকেশনাল শাখায় ১১৯ জন শিক্ষার্থী রেজিস্ট্রেশন করে পরীক্ষায় অংশ নেয়।
ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, জকিগঞ্জের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে পাসের হারে সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন প্রতিষ্ঠানের ব্যবধান ৪২ দশমিক ৪৪ শতাংশ পয়েন্ট। এতে উপজেলার মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর ফলাফলে উল্লেখযোগ্য বৈচিত্র্য ফুটে উঠেছে।
Leave a Reply