সিলেটের বিশিষ্ট শিল্পপতি ও ফাহিম আল চৌধুরী ট্রাস্টের চেয়ারম্যান ফাহিম আল চৌধুরী বলেছেন, একজন মুসলমান হিসেবে অন্য ধর্মের উপাসনালয় নির্মাণ বা উন্নয়নের জন্য তিনি সহায়তা করতে পারেন না। তবে মানবিক কারণে ব্যক্তি পর্যায়ে যেকোনো ধর্মের মানুষকে সহযোগিতা করা যেতে পারে।
শুক্রবার (৫ জুন) বাদ জুমআ অনুষ্ঠিত ফাহিম আল চৌধুরী ট্রাস্টের অনুদান পর্যবেক্ষণ ও অনুমোদন সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
সভায় জামালপুর জয়ীর আখড়া মন্দির পুনর্নির্মাণের জন্য একদল হিন্দু ধর্মাবলম্বী ট্রাস্টের কাছে অনুদানের আবেদন করেন। আবেদনটি পর্যালোচনা করে ট্রাস্টের চেয়ারম্যান ফাহিম আল চৌধুরী সংশ্লিষ্ট অনুদান প্রক্রিয়া স্থগিত রাখার নির্দেশ দেন।
এ সময় তিনি বলেন, একজন মুসলমান হিসেবে ঈমানি দায়িত্ব হিসাবে অন্য ধর্মের উপাসনালয় নির্মাণ বা উন্নয়নের জন্য আর্থিক সহায়তা প্রদান তার পক্ষে সম্ভব নয়। তবে উপাসনালয় ছাড়া অন্য কোনো মানবিক, সামাজিক বা ব্যক্তি কল্যাণমূলক কাজে সহযোগিতার প্রয়োজন হলে তা বিবেচনা করা যেতে পারে।
তিনি আরও বলেন, মানুষের ধর্মীয় পরিচয় নয়, মানবিক প্রয়োজনকে গুরুত্ব দিয়ে ব্যক্তি পর্যায়ে সহযোগিতা করা সম্ভব। তবে মসজিদ মাদ্রাসা ছাড়া অন্য কোনো ধর্মীয় উপাসনালয়ের উন্নয়ন বা পুনর্নির্মাণে ট্রাস্টের অর্থ ব্যয় করা হবে না।
এদিকে একই দিনে ফাহিম আল চৌধুরী ট্রাস্টের পক্ষ থেকে জকিগঞ্জ-কানাইঘাট উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় মসজিদ,মাদ্রাসা, অসহায় ব্যক্তি, দরিদ্র পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং সামাজিক প্রতিষ্ঠানের সহায়তার জন্য মোট ৭০ লাখ টাকা অনুদান অনুমোদন করা হয়।
ট্রাস্ট সূত্রে জানা যায়, মানবসেবা ও সামাজিক উন্নয়নের লক্ষ্যে অনুমোদিত এই অনুদানের বিষয়টি ট্রাষ্টের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে লাইভ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়েছে।
সভায় ট্রাস্টের দায়িত্বশীল ও সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন এবং বিভিন্ন আবেদন পর্যালোচনা শেষে অনুদান অনুমোদনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।
Leave a Reply